ইউরোপীয় আদালতে হিজাব নিষিদ্ধের রায় ধর্মীয় স্বাধীনতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন: তুরস্ক

ইমান২৪.কম: ইউরোপীয় ইউনিয়নের আদালতে মুসলিম নারীদের শালীন পোষাক হিজাব নিষিদ্ধের তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তুরস্ক। হিজাব নিষিদ্ধের বিষয়টিকে ধর্মীয় স্বাধীনতার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন বলে অভিহিত করেছে তুরস্ক। তুরস্ক জানায়, এটা ইসলাম ফোবিয়ার লক্ষণ।

ধর্মীয় বিশ্বাস বিশেষ করে ইসলাম ধর্ম বিশ্বাসের কারণে ইউরোপের নারীরা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এমন এক সময় ইইউ‘র আদালত হিজাব নিষিদ্ধের রায় দিল যখন-সমগ্র ইউরোপজুড়ে ইসলামফোবিয়া, বর্ণবাদ (রেসিজম) এবং ঘৃণা বাড়ছে।

এটা ধর্মীয় স্বাধীনতার অসম্মান। এর মাধ্যমে ধর্মীয় পোশাক নিষিদ্ধের আইনগত বৈধতা এবং ভিত তৈরি করা হচ্ছে। তুরস্কের প্রেসিডেন্টের দপ্তরের যোগাযোগ বিষয়ক পরিচালক ফাহরেতিন আলতুন বলেন, এই ভুল সিদ্ধান্তটি আইনগতভাবে বর্ণবাদ অনুমোদনের প্রচেষ্টা।

প্রসঙ্গত, জার্মানির হ্যামবার্গে একটি শিশু পরিচর্যা কেন্দ্রে কাজ করা দুজন মুসলিম নারীকে হিজাব পড়ার ‘অপরাধে’ চাকরিচ্যুত করা হয়। পরে এর প্রতিকার পেতে তারা আদালতে গেলে প্রতিষ্ঠানের পক্ষেই রায় দেয় জার্মানির আদালত। আদালত বলছে, কর্মস্থলে নিজের অবয়ব ঢেকে রাখা আইনবিরোধী কাজ।

রাজনৈতিক বা ধর্মীয় কারণে কোনোভাবেই কর্মক্ষেত্রে নিজের মুখ ঢেকে রাখা যাবে না। এ ক্ষেত্রে নিয়োগদানকারী প্রতিষ্ঠান চাইলে ওই কর্মীকে ছাটাই করতে পাড়বে। বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) এ আদেশ দেয় আদালত।

লুক্সেমবার্গভিত্তিক ইইউ কোর্ট অব জাস্টিস (সিজেইইউ) এক রায়ে বলে, সুনির্দিষ্ট কিছু শর্তে এই বলয়ের দেশগুলো হিজাব নিষিদ্ধ করতে পারবে। শর্তগুলোর মধ্যে যা আছে তার মর্মার্থ হলো, কাস্টমারদের কাছে নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে কোম্পানিগুলো হিজাব নিষিদ্ধ করতে পারবে।

ফেসবুকে লাইক দিন