আল্লাহ নিজের জন্য যে জিকির প্রতিষ্ঠা করার কথা বলেছেন

ইমান২৪.কম: জিকির হলো স্মরণ করা। যে ব্যক্তি আল্লাহকে স্মরণ করবে আল্লাহ তাআলাও তাকে স্মরণ করার ঘোষণা দিয়েছেন পবিত্র কুরআনে। এ ঘোষণা থেকেই বুঝা যায় যে, জিকির আল্লাহর শ্রেষ্ঠ ইবাদত। কুরআনুল কারিমের ঘোষণায় এ শ্রেষ্ঠ জিকির হলো নামাজ। যেভাবে নামাজ শ্রেষ্ঠ জিকির হলো কুরআন এবং হাদিসে রয়েছে তার যথেষ্ট প্রমাণ। আল্লাহ তাআলা মানুষের জন্য প্রতিদিন পাঁচ সময়ে এ জিকির করা ফরজ করেছেন। শ্রেষ্ঠ জিকির নামাজের কিছু প্রমাণ সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো। – কুরআনে আল্লাহ তাআলা এ জিকিরের নির্দেশ দিয়ে বলেন- ‘এবং তোমরা সকাল ও বিকালে তোমাদের মহান প্রভুর নামে জিকির কর।’

(সুরা ইনসান : আয়াত ২৫) – কুরআনুল কারিমের অন্য আয়াতে নামাজকে তাসবিহ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাসবিহ দ্বারাও আল্লাহর প্রশংসামূলক স্মরণকে বুঝানো হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন- ‘সুতরাং তোমরা আল্লাহর তাসবিহ আদায় কর, যখন সন্ধ্যায় (মাগরিব ও ইশার নামাজ দ্বারা) উপনীত হবে এবং সকালে (ফজর নামাজ দ্বারা) উঠবে। আর অপরাহ্নে (আসর নামাজ দ্বারা) ও জোহরের সময়ে। আর আসমান ও জমিনে সব প্রশংসা একমাত্র তাঁরই।’ (সুরা রূম : আয়াত ১৭-১৮) – অন্য আয়াতে আল্লাহ তাআলার জিকির তথা স্মরণের জন্য জিকিরকে প্রতিষ্ঠা করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আল্লাহ বলেন- ‘নামাজ প্রতিষ্ঠা কর আমার জিকিরের জন্য।’ (সুরা ত্বহা : আয়াত ১৪) এভাবে কুরআনুল কারিমের অনেক স্থানে মানুষের শিক্ষা ও বাস্তবায়নের জন্য প্রিয়নবির প্রতি জিকিরের নির্দেশ দিয়েছেন। আল্লাহর নির্দেশ মানুষের জন্য পালন করা ফরজ। বিশেষ করে সকাল ও সন্ধ্যায় আল্লাহর জিকিরের যে নির্দেশ সুরা ইনসানের ২৫নং আয়াতে করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বিখ্যাত তাফসিরকারদের ভাষ্য হলো,

‘নামাজই আল্লাহ তাআলার সর্বোত্তম জিকির।’ – হজরত ইবনে যাইদ বলেন, ‘সকালের জিকির হলো ফজরের নামাজ আর বিকালের জিকির হলো জোহরের সালাত। – ইমাম তাবারি এ আয়াতের ব্যাখ্যা এভাবে করেছেন যে, ‘হে মুহাম্মদ! আপনি আপনার প্রভুর নামে জিকির করুন। সকালে ফজরের নামাজে এবং বিকালে জোহর ও আসরের নামাজের মধ্যে আপনি তাঁকে তাঁর নাম ধরে ডাকুন।’

আরও পড়ুন: চট্টগ্রাম পৌঁছেই মাজার জিয়ারত করলেন ড. কামাল-ফখরুলের

ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের কাছে ক্ষমা চাইতে মাসুদা ভাট্টিকে লিগ্যাল নোটিশ

ফেসবুকে লাইক দিন