সোলাইমানির দেহ আংটি দেখে শনাক্ত করা হয়েছিল

ইমান২৪.কম: শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) ইরাকের রাজধানী বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মার্কিন ড্রোন হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের কুদস বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল কাশেম সোলাইমানির।

ওই সময় সোলাইমানির সঙ্গেই ছিলেন ইরানপন্থী ইরাকি আধা সামরিক বাহিনীর ডেপুটি কমান্ডার আবু মাহদি আল-মুহান্দিসও। তিনিও মারা যান।

শত্রুর বোমা হামলায় দুটি লাশই সম্পূর্ণ ছিন্নভিন্ন হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু জেনারেল কাশেম সোলাইমানি জীবিত অবস্থায় হাতে লাল রঙের একটি আংটি পরতেন।

ওই আংটি দেখেই সোলাইমানির ছিন্নভিন্ন লাশটি শনাক্ত করা সম্ভব হয়। হামলার খবর পেয়েই বাগদাদ বিমানবন্দরে পৌঁছে গিয়েছিলেন ইরাকি সাংবাদিকরা।

তারপরই ঘটনাস্থলের একাধিক ছবি-ভিডিও ইন্টারনেটে ছড়িয়ে যায়। সেখানে একাধিক ভিডিওতে ওই আংটির ছবি জুম করে দেখানো হয়।

ইরাকের এক শীর্ষ সেনাকর্তা জানান, লেবানন অথবা সিরিয়া থেকে এসে বাগদাদ বিমানবন্দরে অবতরণ করেছিলেন সোলাইমানি।

ড্রোন হামলায় রেভলিউশনারি গার্ডের ৫ সেনা এবং সোলাইমানির জামাইসহ মোট ১০ জনের মৃত্যু হয়।

এদিকে, শনিবার (৪ জানুয়ারি) কয়েক হাজার মানুষ সোলেমানির জানাযায় অংশ নিয়েছিলেন। বেশিরভাগেরই পরনে ছিল কালো পোশাক। হাতে ধরা ছিল ইরাকের জাতীয় পতাকা।

কেউ কেউ সোলাইমানির ছবি হাতেও জানাযায় যোগ দিয়েছিলেন। এদিন জানাযা সম্পন্ন হয় ইরাকি আধা সেনা হাশেদ আল-শাবির ডেপুটি কমান্ডার আল-মুহান্দিসেরও।

হাশেদের তরফেই এদিনের এই জানাযায় আয়োজন করা হয়েছিল। বাগদাদের গ্রিন জোন থেকে শুরু হয়ে ওই মিছিল শিয়াদের পবিত্র শহর কারবালা এবং নাজাফে যায়। জানা গেছে, আজ, রোববার (৫ জানুয়ারি) সোলাইমানির লাশ ইরানে নিয়ে আসা হবে।

ফেসবুকে লাইক দিন