আমার বক্তব্যে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে, আলেমরা শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি, আমি তাদের সম্মান করি: ডা. জাফরুল্লাহ

ইমান২৪.কম: আমার একটা বক্তব্য নিয়ে ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে, আমি সে সম্পর্কে বলতে চাই – আলেমরা শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। আমি তাদের সম্মান করি। আপনাদের নিয়ে অযথা বিতর্ক করা ঠিক না। আজকে ভাস্কর্য বিতর্কে যাওয়া ইসলামের জন্য ক্ষতিকর। তিনি আলেমদের ভাস্কর্য বিতর্কে না জড়িয়ে জনগণের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে আসার আহবানও জানান।

শনিবার (৫ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি (জাগপা) আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির ক্ষমতায় আসতে করণীয় সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, বিএনপির ক্ষমতায় আসতে হলে তারেক রহমানকে নয় তার একমাত্র মেয়ে জায়মা জারনাজ রহমানকে সঙ্গে নিয়ে নামতে হবে বলে মনে করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তিনি মনে করেন জায়মা আসলে যে আন্দোলনের জোয়ার শুরু হবে তাতে আওয়ামীলীগ সভাপতি তার যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী এসেছে তার টের পাবেন।

ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, যদি বিএনপি সত্যি চায় হাসিনার ক্ষমতার পট পরিবর্তন হোক, তাহলে বিএনপির দায়িত্ব অনেক বেশি এখানে। তারেকের স্তুতি দিয়ে ক্ষমতায় আসতে পারবেন না কোনদিন।

আপনারা যদি সত্যিকার অর্থে ক্ষমতায় আসতে চান, জনগণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করতে চান, মাঠে বসতে হলে খোকনের মতো যারা আছেন, তারা আমার মতে জাইমাকে সঙ্গে নিয়ে নামতে পারেন। তারেককে নিয়ে নয়। আমি তারেককে কোনো দোষ দিচ্ছি না।

স্ট্রাটেজি বলে একটা কথা আছে, আমরা বললেই তার বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহার হবে না এবং বাংলাদেশের মাটিতে ফিরতে পারবেনা, একমাত্র গণতন্ত্রের বিজয় হলেই তারেক দেশে ফিরতে পারবে। বিএনপির উচিত হবে খালেদা জিয়াকে প্রতিদিন ঘরের মধ্যে আবদ্ধ না রেখে, প্রতিদিন ১১টা থেকে ১২ রোদের মধ্যে বসতে হবে।

যাতে জনগণ দেখতে পায় তাদের নেত্রীকে অন্যায়ভাবে আটকে আন্দোলনকে আটকে রাখা হয়েছে। সেখানে যদি জায়মা আসে তাহলে তাকে নিয়ে সারাদেশ ঘুরে বেড়াবে। তখনই দেখবেন জোয়ার কিভাবে উঠে, তখনই শেখ হাসিনা টের পাবেন তার যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বী এসেছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ঘরের ভেতর যেসব কথা বলি কাজে তা প্রমাণ করি না। বিশেষ করে বিএনপি বেলায় একথা প্রযোজ্য। বিএনপিতে যেখানে খোকন, হাফিজ, আলালের মতো লোক আছে, এরা এতগুলো তরুণ আছে , খালেদা জিয়া কেন চুপচাপ গুলশানের মতো বাড়িতে আবদ্ধ থাকবে। জজ সাহেবরা একটা অন্যায় বিচার করেছেন , দুই কোটি টাকার জন্য সেই বিচার এখনো সমাপ্ত হয়নি। অন্তত পক্ষে জামিনটা তো অবশ্যই হওয়া উচিত।

ফেসবুকে লাইক দিন