আপত্তি উপেক্ষা করেই সংসদে পাস হলো ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল

ইমান২৪.কম: সাংবাদিকসহ অংশীজনদের আপত্তি সত্ত্বেও সংসদে পাস হলো ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা বিল’। বহুল আলোচিত ৩২ ধারা এতে বহাল রাখা হয়েছে।

৩২ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি অফিশিয়াল সিক্রেসি এ্যাক্টের আওতাভূক্ত অপরাধ কম্পিউটার, ডিজিটাল ডিভাইস, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, ডিজিটাল নেটওযার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সংঘটন করেন বা করতে সহায়তা করেন তাহা হইলে তিনি অনধিক ১৪ বছরের কারাদণ্ড বা অনধিক ২৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৩২ (২) ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি উপধারা-১ এ উল্লিখিত অপরাধ দ্বিতীয়বার বা পুনঃপুনঃ সংঘটন করেন তাহা হইলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

১৯ সেপ্টেম্বর বুধবার স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হওয়া সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

এরপরই বিলটির ওপর জনমত যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো ও সংশোধনীর প্রস্তাব দেন জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্র এমপিরা। কন্ঠভোটে তাদের প্রস্তাব নাকচ হয়।

ডিজিটাল নিরাপত্তা বিলে ১৩টি দফার ওপর সংশোধনীর প্রস্তাব দেন জাতীয় পার্টির তিন এমপি। তারা হলেন-গাইবান্ধা-১ আসনের শামীম হায়দার পটোয়ারী, বেগম রওশন আরা মান্নান ও ফখরুল ইমাম। তাদের প্রস্তাবে শব্দাবলী বর্জন, প্যারা, সংখ্যা ও বন্ধনী প্রতিস্থাপন করার কথা বলা হয়েছে। কণ্ঠভোটে তাদের প্রস্তাব নাকচ হয়।

বিলে জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দেন বিরোধী দল জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্রর ১২ এমপি। তারা ৩০শে অক্টোবরের মধ্যে জনমত যাচাইয়ের জন্য বিলটি পাঠানোর দাবি জানান। স্পিকার বিষয়টি কন্ঠভোটে দিলে তা নাকচ হয়।

এরপর বিলটি বাছাই কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন জাতীয় পার্টি ও স্বতন্ত্রর ৮ এমপি। নিজেদের মনোনীত ৩,৪ ও ৫ সদস্যর বাছাই কমিটিতে বিলটি পাঠিয়ে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে রিপোর্ট দেয়ার দাবি তোলেন। কন্ঠভোটে তাদের সে প্রস্তাবও নাকচ হয়। এরপরই কন্ঠভোটে বিলটি পাস হয়।

আরও সংবাদঃ এখন ‘সুপার এক্সপ্রেস ডেলিভারি’তে একদিনেই পাবেন পাসপোর্ট

বাংলাদেশের মানুষের জন্য শেখ হাসিনার চেয়ে আপন আর কেউ নেই: সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

ফেসবুকে লাইক দিন