আন্তর্জাতিকভাবে রোহিঙ্গা ইস্যু খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে

রোহিঙ্গা ইস্যুকে সামনে রেখে জাতিসংঘ মহাসচিব, বিশ্ব্যাংক প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার প্রধান ও রেডক্রস চেয়ারম্যান ঢাকা সফর করে গেছেন। তাদের সফর নিশ্চয়ই অনেক গুরুত্বপূর্ণ। রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনকালে সংস্থাগুলো বলছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবসনে সময় লাগবে।

সম্ভবত রেডক্রস চেয়ারম্যান বলেছেন, তার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে রোহিঙ্গা সংকট দ্রুত নিষ্পত্তি হবে কিনা। তবে তারা যে একসঙ্গে বাংলাদেশে এসেছেন, নিজের চোখে দেখে গেছেন রোহিঙ্গাদের বাস্তব পরিস্থিতি, এর ফলে তারা একটা ইমপ্রেশন দিতে পেরেছেন যে, আন্তর্জাতিকভাবে এই বিষয়টি খুব গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। এবং বাংলাদেশ সরকারের ট্রেন্ডটাকে তারা সমর্থন করছেন। এমন মন্তব্য করেছেন গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে একটা সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে যে, প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি দুই বছরে তারা দেবে রোহিঙ্গাদের সাপোর্ট দেওয়া বা পুনর্বাসনের ব্যাপারে। দুই বছর সাপোর্ট দেওয়ার অর্থ হচ্ছে, ন্যূনতম দুইবছর রোহিঙ্গারা এখানে থাকবে। আগামী দুই বছরের মধ্যে ফেরত যাচ্ছে না তারা। এমনটিই এখন মনে হচ্ছে। তবে সময়টা আরও বেশিও হতে পারে।

আমি আগেও বলেছি, রোহিঙ্গা ইস্যুকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে একটা অস্থির পরিবেশ তৈরি হতে পারে। তিনি আরও বলেন, জাতিসংঘের মহাসচিব এখানে এসেছিলেন। তিনি যদি ব্যাপারটি সিরিয়াসলি উদ্যোগ নেন, তাহলে বিষয়টিকে নিয়ে তিনি নিরাপত্তা পরিষদে একটি বৈঠক ডাকতে পারেন। সফরের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে স্থায়ী সদস্যদের আবারও অনুরোধ করতে পারেন, যাতে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে জাতিসংঘের স্থায়ী রাষ্ট্রগুলো একমত হয়।

ফেসবুকে লাইক দিন