অবশেষে জানা গেল যে কারনে ভাস্কর্য ভাঙচুর করে যুবলীগ নেতা

ইমান২৪.কম: কুষ্টিয়ায় বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙার মূলপরিকল্পনাকারী যুবলীগ নেতা আনিসুর রহমান আনিসসহ এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। যুবলীগ নেতার সঙ্গে কয়া মহাবিদ্যালয় কলেজের পরিচালনা পর্ষদ ও অধ্যক্ষের ব্যক্তিগত দ্বন্দ্বের জের ধরে ভাস্কর্য ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ।

কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) তানভীর আরাফাত আজ শনিবার দুপুরে তাঁর কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানান। এসপি বলেন, আনিসুরের সঙ্গে কয়া মহাবিদ্যালয় (কলেজ) কর্তৃপক্ষের দ্বন্দ্ব আছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে সহযোগীদের নিয়ে তিনি কলেজের প্রধান ফটকের সামনে সড়কের পাশে স্থাপিত বাঘা যতীনের ভাস্কর্যটি ভাঙচুর করেন।

শুক্রবার রাতে কুমারখালী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো- কয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আনিসুর রহমান আনিস (৩৫), সবুজ হোসেন (২০) ও হৃদয় আহমেদ (২০)।

এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার কয়া গ্রাম অবস্থিত কয়া মহাবিদ্যালয়ে বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাঙচুর করে কয়েকজন।

কুমারখালী থানার ওসি মজিবুর রহমান জানান, বাঘা যতীন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ হারুনর রশিদ বাদী হয়ে শুক্রবার ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছেন।

পুলিশ শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনার মূলপরিকল্পনাকারী কয়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি আনিসুর রহমান আনিসকে গ্রেফতার করে। পরে তার দেয়া তথ্যমতে ঘটনায় জড়িত অপর দুজন হৃদয় আহমেদ ও সবুজ হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

ফেসবুকে লাইক দিন